
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসরে দরবার রাজশাহীর দরবারকে ৪ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং রাজশাহী ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৭ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। ইয়াসির আলী দারুণ এক ইনিংস খেলেন, বাকি থাকেন
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসরে দরবার রাজশাহীর দরবারকে ৪ উইকেটে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল এবং রাজশাহী ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৭ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। ইয়াসির আলী ৪৭ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকলেও অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ৫১ বলে ৬৫ রানের অবদান রাখেন।
জবাবে ১৯.১ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরিশাল ২৬ বলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৫৬ ও ফাহিম আশরাফের ২১ বলে ৫৪ রানের সুবাদে জয় তুলে নেয় তারা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে মাত্র ১২ রানে হারায় বরিশাল। নাজমুল হোসেন শান্তকে শূন্য রানে আউট, জিসান আলমকে এলবিডব্লিউ ও তামিম ইকবাল তাসকিন আহমেদের বলে ক্যাচ দেন। দ্বিতীয় ওভারে তাসকিনও কাইল মেয়ার্সকে ৬ রান দিয়ে পাঠান, পুল শটের চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন
মুশফিকুর রহিম (১৩) ও তৌহিদ হৃদয় (২৩ বলে ৩২) দুজনই আউট হলে বিপদে পড়ে বরিশাল। তবে মাহমুদউল্লাহ দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন – একটি শাহিন আফ্রিদির সাথে, যার সাথে তিনি ৫১ রান যোগ করেছিলেন এবং অন্যটি ফাহিম আশরাফের সাথে, অপরাজিত ৮৮ রান যোগ করে বরিশালকে জয়ের পথে নিয়ে যান।
রাজশাহীর পক্ষে তাসকিন আহমেদ ৩১ রানে ৩ উইকেট, হাসান মুরাদ ৪২ রানে ২ উইকেট ও জিসান আলম ৬ উইকেট নেন।
এর আগে ইয়াসির আলী ও এনামুল হক বিজয়ের সুবাদে বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল রাজশাহী। ইয়াসিরের অপরাজিত ৯৪ রানের সুবাদে এনামুলের ৬৫ রানের সুবাদে রাজশাহীকে ১৯৭/৩ রানে সাহায্য করে। শুরুতেই উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে ১৪০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় এনামুল ও ইয়াসির। ১৮তম ওভারে আউট হওয়ার আগে এনামুলের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। ইয়াসির অবশ্য ৭টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
বরিশালের হয়ে সেরা বোলার মেয়ার্স ২টি উইকেট নেন